বিএনপির প্রচার সম্পাদক ও মিডিয়া সেলের সদস্য সচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি কামিশপুর কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটের দিকে তিনি কারাগার থেকে বের হন। তার মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান। এর আগে ২১ জানুয়ারি বিএনপি নেতা শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে ১২টি মামলায় জামিন আবেদন গ্রহণ, শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতকে (সিএমএম) আদেশ দেন হাইকোর্ট। আইন অনুযায়ী ১৫ দিনের মধ্যে এ আদেশ পালন করতে বলেন আদালত। রাজনৈতিক কর্মসূচিকে ঘিরে সহিংসতার অভিযোগে মির্জা আব্বাস ও এ্যানির বিরুদ্ধে এসব মামলা হয়। গত ১০ জানুয়ারি ঢাকার সিএমএম আদালত ১০টি মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের জামিন আবেদন এবং দুটি মামলায় বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরীর জামিন আবেদন ফিরিয়ে দেন। তাদের জামিন আবেদন ফিরিয়ে দেয়া কেন অবৈধ বলে ঘোষণা করা হবে না জানতে চেয়ে পৃথক রুলও জারি করেন হাইকোর্ট। বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহর হাইকোর্ট বেঞ্চ মির্জা আব্বাস ও এ্যানির করা দুটি রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রুলসহ এই আদেশ দেন। হাইকোর্টে আবেদনে বিএনপির এই ২নেতা বলেন, জামিন আবেদন ফিরিয়ে দেয়ার মাধ্যমে তাদের আইনের আশ্রয় পাওয়ার সাংবিধানিক অধিকারের লঙ্ঘন হয়েছে। তাদের আইনজীবী সগির হোসেন লিওন বলেন, গত ২৮ অক্টোবর পল্টনে বিএনপির সমাবেশকে কেন্দ্র করে সহিংসতার ঘটনায় মির্জা আব্বাসের বিরুদ্ধে রমনা, পল্টন, ঢাকা রেলওয়ে পুলিশ থানায় মোট ১০টি মামলা হয়। ২৯ অক্টোবর শাহজাহানপুর থানায় দায়ের হওয়া ভিন্ন একটি মামলায় পুলিশ তাকে গ্রেফতার করা হয়। অপরদিকে, ধানমন্ডি ও নিউমার্কেট থানায় দায়ের হওয়া মামলায় ৫ অক্টোবর গ্রেফতার হন উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।
আমরা এই প্রতিশ্রুতি দিলাম আপনার ইমেইলটি গোপন রাখবো *